আরও একবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে বড় দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে ব্যবসায়ীদের সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করলেন, ''লক্ষ্মীর ভাণ্ডার আমরাই প্রথম শুরু করেছি। আমরাই একমাত্র রাজ্য, যারা পেনশন দিচ্ছি। বাধ্যতামূলক না হলেও আমরা প্রতি বছর ৮ শতাংশ ডিএ দিই সরকারি কর্মচারীদের।''
প্রসঙ্গত, ভোট যত এগোচ্ছে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে ততই প্রচারে সাড়া ফেলছে শাসক দল তৃণমূল। ব্যতিক্রম নয়, দলের সর্বময় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সম্প্রতি মালদহে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে বিরাট ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থাকবে আজীবন, মালদহে মহিলাদের আশ্বস্ত করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, "বাংলায় প্রায় ২ কোটি ২১ লক্ষ মা-বোনেরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পান।" মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, "বিগত পাঁচ বছরে মে মাস পর্যন্ত এক এক জন মহিলারা ৬০ হাজার টাকা পেয়েছেন। পাশাপাশি তপশিলি উপজাতি মহিলারা বিগত পাঁচ বছরে মে মাস পর্যন্ত ৭০ হাজার টাকা করে পেয়েছেন।"
তিনি আরও বলেছিলেন, "অন্যান্য রাজ্যে ভোট প্রচারের সময় এমন সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়। নির্বাচন নিয়ে আমরা রাজনীতি করি না। আমরা আজীবন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার মানুষকে দেব। পরে বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য কোন রকম দরখাস্তের প্রয়োজন হবে না। যতদিন আপনি বেঁচে থাকবেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাবেন।"
এদিন কলকাতার ব্যবসায়ী সম্মেলনেও মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ''১৬ লক্ষ উপভোক্তাকে জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে বাড়ির টাকা দেব। কর্মশ্রী আমরা শুরু করেছি। গান্ধিজি-র নাম বাদ দিয়ে দিচ্ছে। আমি খুব অপমান বোধ করেছি। ১০০ দিনের কাজের নাম থেকে গান্ধিজির নাম বাদ দিয়ে দিয়েছে। এর জন্য আমি কাউকে দোষ দেব না। কর্মশ্রী প্রকল্পের নাম আমরা গান্ধিজির নামে দেব। আপনি যদি গান্ধিজিকে সন্মান না দেন, আমরা জানি কীভাবে সম্মান দিতে হয়। সবাই বাংলার উপর হিংসা করে।''

0 Comments